সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
“Powering Justice: Energy for People, Planet & Progress” প্রতিপাদ্য নিয়ে সিইএইচআরডিএফ এনার্জি কনফারেন্স ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে জ্বালানি ন্যায্যতা, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিইএইচআরডিএফ-এর প্রধান নির্বাহী মোঃ ইলিয়াছ মিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-প্রধান সমন্বয়ক (এসওএস) রুহল আমিন।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন নাসির উদ্দিন (পল্লি চিকিৎসক), সাইফ উদ্দিন (তরুণ একটিভিস্ট), আবদুল্লাহ আল মুবিন, আবদুল্লাহ আল মাসুদ (সেক্রেটারি, কালামারছড়া লোকাল কাউন্সিল), নুরুল বশর (টীম লিডার, সিইএইচআরডিএফ নর্দান এরিয়া কাউন্সিল), শেফায়েত উল্লাহ (এক্টিভিস্ট, সিইএইচআরডিএফ), মো. শেফা (এক্টিভিস্ট, সিইএইচআরডিএফ) এবং শাকেল উল্লাহ (তরুণ একটিভিস্ট)।
বক্তারা বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য জ্বালানি খাতে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, জ্বালানি দরিদ্রতা হ্রাস, গ্রামীণ ও উপকূলীয় এলাকায় জ্বালানি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে আরও বলা হয়, তরুণদের অংশগ্রহণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তা জ্বালানি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। নীতিনির্ধারক, নাগরিক সমাজ ও তরুণদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।
কনফারেন্সে সিইএইচআরডিএফ প্রধান নির্বাহী ইলিয়াছ মিয়া বলেন, মহেশখালী থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহণ করা জায়গায় প্রয়োজনে সমুদ্র বন্দর তৈরি হোক। কিন্তু সমুদ্র বন্দরের নামে আর কোন জমি অধিগ্রহণ নয়। মানুষের পেশাকে বাচাতে হবে।
মহেশখালীর উপকূল নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য উপযুক্ত। তাই কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে সমুদ্র স্রোত, বাতাস ব্যবহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎের জন্যও মহেশখালী উপযুক্ত এলাকা।
অনুষ্ঠানের শেষে একটি সম্মিলিত অঙ্গীকারের মাধ্যমে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
